ঈশ্বরের আশীর্বাদে করোনা হয়েছে! লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পরও এমন দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

করোনা সংক্রমণে সর্বপ্রথম নাম আমেরিকার। দেশে সংক্রমিত ও মৃত্যুর সংখ্যা দুইই হু হু করে বাড়ছে। প্রথম থেকেই করোনা সংক্রমণের উৎস স্থল হিসেবে চীনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনকে এর মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন একাধিকবার।

এই অদৃশ্য ভাইরাসের ত্রাসে মার্কিন মুলুকে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২লক্ষ ১৬ হাজার মানুষ। সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। তবু তা নিয়ে মাথাব্যাথা নেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের। প্রেসিডেন্ট বুধবার একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছেন। কিন্তু ভিডিওতে তিনি একি বলছেন! দেখা যাচ্ছে তিনি বলছেন করোনা তাঁর কাছে ‘ঈশ্বরের আশীর্বাদ’। কারণ করোনার কারণেই এই অতিমারি ও তার প্রতিষেধক ওষুধ সম্বন্ধে ধারণা হয়েছে তাঁর। এই ভিডিওতে আবারো চীনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

এই করোনা হানা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেহেও। সোমবারই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে। এখন তিনি যথেষ্ট সুস্থ। এবং তিনি যথেষ্ট আশাবাদী যে করোনা লড়াইয়ে তিনি জিতবেনই।সোমবার সন্ধ্যায় ওয়াল্টার রিড হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার পরই এই ভিডিওবার্তার প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট। সেই ভিডিওতে চিকিৎসকদের যথেষ্ট প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প। তিনি এও বলেছেন করোনার প্রতিষেধক ও ওষুধ আবিষ্কার হলে তা বিনামূল্যে আমেরিকার নাগরিকদের জন্য বিলি করা হবে।

তবে ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকেরা। প্রথমে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে ডেক্সামেথেসোন দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে এই ওষুধ তাদেরকে দেওয়া হয় যারা অক্সিজেন নেওয়ার পরেও শ্বাসকষ্টে ভোগেন।

চিকিৎসকদের অনেকাংশের মতামত এবং রিপোর্টে প্রমাণিত করোনা আক্রান্তরা প্রথমে সুস্থ হয়ে গেলেও দ্বিতীয় সপ্তাহে এই রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।সান ফ্রান্সিসকো ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের প্রধান রবার্ট ওয়াকার বলেছেন, এই সময়ে প্রেসিডেন্টের যা শারীরিক অবস্থা তাতে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এই সময়ে প্রেসিডেন্টের আই সি ইউ থেকে ৫০ ফুট দুরত্বের মধ্যে থাকা উচিত। হেলিকপ্টারে চড়া উচিত নয়। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সব রকম নিয়ম কতটা মানছেন সে বিষয়ে উদ্বিগ্ন তাঁর চিকিৎসকরা।ভীষন কড়াকড়ি নিয়মের মধ্যে এ সময় থাকা উচিত তার এমনটাই সাজেশন চিকিৎসকদের। এই রোগের ক্ষেত্রে বয়সটা যেহেতু বিশাল গুরুত্বপূর্ণ একটি ফ্যাক্টর, তাই সব রকম সুবিধার মধ্যে থাকা উচিত প্রেসিডেন্টের।

ঈশ্বরের অসীম আশীর্বাদে করোনা হয়েছে! আমেরিকায় প্রায় 2 লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পরও এমনই দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ঈশ্বরের অসীম আশীর্বাদে করোনা হয়েছে! আমেরিকায় প্রায় 2 লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পরও এমনই দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প