বহু ঘষাঘষি করেও রূপ ফিরছে না সাধের বেসিনের! ব্যবহার করে দেখুন এই ঘরোয়া টোটকা গুলি

বেসিন পরিষ্কার নিয়ে মাথা ব্যাথা প্রায় সকলেরই। অনেকের তো আবার বেসিনের প্রতি বেশ অবসেশান থাকে। বেসিন একটুও নোংরা থাকলে অনেকেরই মন খুঁতখুঁত করে। যাদের পরিস্কার পরিস্কার বাতিক রয়েছে তাদের বেসিন পরিষ্কার না হলে ঠিক মনে হয়না রান্নাঘর বা বাথরুম পরিষ্কার হয়েছে। দুদিন যেতে না যেতেই তা আবার নোংরা হয়ে পড়ে।রান্নাঘর বা বাথরুমের বেসিন পরিষ্কার ঝকঝকে রাখার জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া টিপস। ব্যবহার করে দেখুন ফল অবশ্যই মিলবে।

বেকিং সোডা কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং লিকুইড সাবান এর সঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন পোর্সেলিনের ওয়াশ বেসিন পরিষ্কার করার জন্য। এই মিশ্রন বেশিনে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন এরপর স্ক্রাবার দিয়ে ভালো করে ঘষে দিলেই হয়ে উঠবে ঝকঝকে তকতকে আয়নার মত।

কাচের বেসিনের যেকোনো দাগ তুলতে জলের সঙ্গে ভিনিগার মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বানান। এবার এই মিশ্রন কাঁচের বেসিনে ভালো করে লাগিয়ে নিন। এরপর কিছুক্ষণ ওভাবেই বেসিন রিখে দিন। এরপর জল দিয়ে ধুয়ে অবশ্যই মুছে নিন বেসিন।

সেরামিকের বেসিন অনেকে ভুল করে অ্যাসিড ব্যবহার করেন পরিষ্কার করতে বা বেসিনের দাগ তুলতে। এই ভুলটা ভুলেও করবেন না। এসিডের বিষাক্ত বিক্রিয়ায় আপনার সাধের বেসিন অকালে নষ্ট হতে পারে। এক্ষেত্রে এইসব বেসিন পরিষ্কার করবেন লিকুইড বা গুঁড়ো সাবান দিয়ে।

প্রায়শই বেসিনের ড্রেন নোংরা ধুলো ময়লা জমে বন্ধ হয়ে যায়। নালীর মুখে জালি থাকলে সেই জালে সব নোংরা আটকে গিয়ে নালীটি কে পরিষ্কার রাখে। এক্ষেত্রে নালীতে সাবান জলে গুলে ঢেলে দিতে পারেন। অথবা ডেটল বা স্যাভলন দিয়ে মুছে দিতে পারেন।

বেসিনের কল এর মুখ সবসময় বন্ধ রাখুন।কারণ কল থেকে অনবরত জল পড়তে থাকলে জলের একটি ছাপ পড়তে পারে বেসিনে। সেই দাগ কিন্তু সহজে ওঠে না। জলের সঙ্গে গুড়ো সাবান এবং ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে বেসিন পরিষ্কার করলে বেসিনের নতুন রূপ ফিরে আসতে পারে।

বেসিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি ন্যাপথলিন ছড়িয়ে রাখুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেই ন্যাপথলিন এর উপর গরম জল ঢেলে দিন। সেই জল যখন ড্রেনের মধ্যে দিয়ে যাবে তা ড্রেনে থাকা নোংরা এবং জীবাণু পরিষ্কার করবে।