9 মাসের গর্ভবতী, ১.৬ কিলোমিটার পথ ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে দৌড়ে নেট দুনিয়ায় তোলপাড় অ্যাথলিট

গর্ভবতী অবস্থায় স্পেশাল কেয়ার বা বিশেষ যত্নে থাকতে হয় উড বি মম্ দের। তাদের এই সময়ে তুলোয় মুড়ে রাখা উচিত এমনটাই বিশ্বাস বাড়ির সকলেরই থাকে। সেই সময়ে বেশি কাজ না করা বা আরামে থাকাটাই ইনটেনসিভ কেয়ার হিসেবে ধরা হয়।এই সময়ে একটু আধটু কাজ করলেও এই অবস্থায় দৌড়ানো কি আদৌ সম্ভব!হ্যাঁ এরকম অসম্ভব কেই সম্ভব করে দেখলেন গর্ভবতী এক অ্যাথলিট।

এই অসম্ভব কে যে জয় করেছেন সেই অ্যাথলেট এর নাম মাকেন্না মিলার।এই অ্যাথলেট মাত্র ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ১.৬ কিলোমিটার দৌড়েছেন।স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনা নেট দুনিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছে।এই ঘটনা আরো তোলপাড় সৃষ্টি করেছে যে কারণে তা হল ওই অ্যাথলেট ওই পথ যে সময়ে দৌড়ে অতিক্রম করেন সেই অবস্থায় তিনি ছিলেন ৯ মাসের গর্ভবতী।৯ মাসের গর্ভবতী অবস্থায় দৌড়ানো এবং ঐ টুকু সময় এতটা পথ অতিক্রম করা প্রায় অবিশ্বাস্য। এই অসম্ভবকেই জয় করেছেন মাকেন্না মিলার।

সাধারণভাবে একজন সাধারণ, স্বাভাবিক, সুস্থ মানুষের ওই পথ অতিক্রম করতে সময় লাগা উচিত ৯-১০ মিনিট। সেখানে ঐ অ্যাথলেট মাকেন্না মিলার গর্ভাবস্থায় ভারী শরীর নিয়ে ওই পথ অতিক্রম করতে সময় নিয়েছে তার অর্ধেক।

এই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটানোর পর মিলার সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, এই অবস্থায় ওই সময়ের মধ্যে যে উনি এতটা পথ অতিক্রম করতে পারবেন তা তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি। অবশ্য তিনি গত কয়েক মাস ধরে এর জন্য রীতিমতো প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

এই করোনার সময় এবং প্রেগনেন্সির কারণে মিলারের প্র্যাকটিস যাতে বন্ধ না থাকে তার জন্য আগে থেকেই চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন তিনি। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী মিলার গত কয়েক মাস ধরে নিজের প্র্যাকটিস চালিয়ে গেছেন।মিলার বলেন, প্রেগনেন্সির কারণে ট্রেনিংয়ের ধরনই বদলে গিয়েছিল। সপ্তাহে ৩ বার কড়া ওয়ার্কআউট করতাম।

মিলার তারেই গর্ভবতী অবস্থায় এত কড়া ওয়ার্কআউট করছেন এটা দেখে তার আত্মীয়রা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তার বাচ্চার সুস্থতা নিয়ে। গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন এত হার্ডওয়ার্ক যাতে বাচ্চার ক্ষতি না করে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তার পরিবারের অনেকেই। মিলার জানিয়েছেন ট্রেনিং এর ফলে সন্তানের যাতে কোনো রকম কোনো ক্ষতি না হয় তার জন্য তিনি চিকিৎসকদের নজরদারিতে ছিলেন। চিকিৎসকদের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর তাদের অনুমতিতেই মিলার এই দৌড়ে নামেন।