চীনকে একঘরে করতে ভারতকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত আমেরিকা

ভারত চীন সংঘাতের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরো একবার স্পষ্ট করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের তীব্র হুঁশিয়ারি “কেউ দক্ষিণ চীন সাগরে নিজের আধিপত্য বিস্তার করবে’ তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে না।” হোয়াইট হাউসের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের দাবি চীনের পার্শ্ববর্তী যে সমস্ত দেশ গুলো আছে’ তারা চীনা আগ্রাসন থেকে নিরাপদ নয়। উল্লেখ্য যে, ভারত-চীন চলতি সংঘাতের মধ্যেই দক্ষিণ চীন সাগরে আমেরিকা দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের চিফ অফ স্টাফ মার্ক মিডোজের স্পষ্ট বার্তা আমরা হাত গুটিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না যে চীন বা অন্য কোন দেশ সর্বশক্তিমান হয়ে বিশ্বের লাগাম নিজের হাতে নিচ্ছে। তা সে দক্ষিণ চায়না সাগরই হোক বা অন্য কোন অঞ্চলই হোক ।

তিনি আরো বলেন যে আমাদের সামরিক ক্ষমতা অন্য যেকোনো দেশের থাকে শক্তিশালী। তিনি আরও যোগ করেন যে দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন অভিযান শুধুমাত্র এটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে বিশ্বে আরও বড় শক্তিশালী দেশ রয়েছে।

এদিকে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা কমলেও সংঘাতের আবহাওয়া রয়েছে। গালওয়ানে দু’দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘাতে 20 জন ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যু হয়, কিন্তু চীনা সরকার সরকারিভাবে মৃত্যুর কথা স্বীকার না করলেও চীনা সেনাদের প্রায় 80 জনেরও বেশি হতাহত হয়েছে। এই সংঘাতের পরেই দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধুমাত্র ভারত-চীন সীমান্তই নয়, দক্ষিণ-পূর্ব চীন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর সীমান্তে চীনের সমস্যা রয়েছে। সেখানেও বেইজিংকে প্রচুর সেনাবাহিনী মোতায়ন করতে হয়েছে। যদিও চীন দক্ষিণ চীন সাগরের পুরো অংশটাই তাদের বলে দাবি করে, কিন্তু সেই দাবি নস্যাৎ করেছে ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, তাইওয়ান এবং জাপান। এই অঞ্চলে চীনা আগ্রসনের প্রধান কারণ হলো, প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ তেল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর রয়েছে এই অঞ্চল।