কফি শরীরের বন্ধু নাকি ভিলেন? জেনে নিন এক নজরে

কফি খাওয়া শরীরের পক্ষে ভাল না খারাপ এই নিয়ে বহু মানুষের মধ্যেই একটি দ্বিমত কাজ করে। অনেকে বলেন কফি খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। মগজের শান্তি মিলে। শারীরিকভাবে অনেক বেশি তরতাজা বলে মনে হয় নিজেকে। আবার ঘুম তাড়াতে কফির জুড়ি মেলা ভার। তবে কফি শরীরের পক্ষে আদৌ কতটা ভাল অথবা খারাপ তা জেনে ঠিক করা উচিত কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে কতটা কফি সেবন করা উচিত। কারা করতে পারবেন কিংবা পারবেন না সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। benefits of drinking warm coffee.

কফিতে থাকে ক্যাফেন, যা নার্ভকে চাঙ্গা করে, শক্ত করে। সারাদিনের ক্লান্তি কাটাতে এক কাপ চা এবং পছন্দের বইটি নিয়ে আরামকেদারায় বসেন না এমন মানুষ অনেক কমই আছেন। আগে মনে করা হতো কফি খেলে হার্টের সমস্যা বাড়ে। তবে সাম্প্রতিককালের চিকিৎসকেরা বলছেন অন্য কথা। চিকিৎসকরা বলছেন কফি খেলে হার্টের সমস্যা বাড়ে তো নাই, বরং কমে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এমনটাই।

উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে কোনো ক্ষতি করে না কফি।চিনি ছাড়া দুধ ছাড়া কালো কফি দিনে দুবার খাওয়া যেতেই পারে। শরীরের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং ওজনও অনেক ক্ষেত্রেই কমে। ফলে যারা ডায়েটিং করছেন অনেক সময় চিকিৎসকেরা তাদের কফি খাওয়ার পরামর্শ দেন। কফি খেলে যেহেতু এনার্জি বৃদ্ধি পায় তাই ব্যায়াম করার আগে কফি খেলে ব্যায়ামের এনার্জি লেভেল ম্যাজিকের মতো বাড়ে। পাশাপাশি বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। এই সবকিছুর প্রভাবেই বশে থাকে প্রেসার এবং সুগার।

গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সারাদিনে যারা ৪ কাপ কফি খান, হার্ট ফেলের আশঙ্কা তাদের সবচেয়ে কম। তবে কফি খাওয়ার অভ্যাস না থাকলে হঠাৎ করে কফি খাওয়া শুরু করলে হার্টে উদ্দীপনা বৃদ্ধি পেতে পারে যার ফলে সাময়ীকভাবে বাড়তে পারে রক্তচাপ। তবে হরমোনাল সমস্যা দেখা দিলে সেক্ষেত্রে কফি এড়িয়ে চলাই ভালো। পিসিওডি অর্থাৎ পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম অর্থাৎ কিনা ওভারিতে যেসব মহিলাদের সিস্ট থাকে তাদের জন্য কফি নৈব নৈব চ। তবে বাজারে ক্যাফিন বর্জিত কফি পাওয়া যায়, যাদের কফি খেলে শারীরিক সমস্যা হওয়ার প্রবণতা বাড়ে বাড়ে চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন তাদের এই ক্যাফিন বর্জিত কফি খেলে কোন সমস্যা নেই।