মুখ পুড়ল ইমরানের! রাষ্ট্রসংঘে ১০০ টির বেশি দেশের কাছে সপাটে চর খেলো পাকিস্তান

রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nations) কাছে এমনিও পাকিস্তানের ভাবমূর্তি খুব একটা সাবলীল নয়। এর আগে বহুবার বিভিন্ন বিষয়ে পাকিস্তানকে (Pakistan) অপদস্থ হতে হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে। আবারো পাকিস্তানের গালে সজোরে চড় কষালো রাষ্ট্রসঙ্ঘ। পাকিস্তানের পেশ করা রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রস্তাবে ভোট দিল না অধিকাংশ দেশ।

Big Embarrassment for Pakistan at Uited Nation over 100 countries decline to support
Big Embarrassment for Pakistan at United Nation over 100 countries decline to support

ফিলিপিন্সের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাকিস্তান একটি প্রস্তাব পেশ করেছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘে। সেই প্রস্তাব টি ছিল বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়। কিন্তু এই প্রস্তাব টি মূলত মুখ থুবড়ে পড়ল রাষ্ট্রসঙ্ঘের সামনে। যে দেশ নিজের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক ঠিক রাখতে পারে না সেই দেশ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কি করে সংস্কৃতির সম্পর্ক কে এগিয়ে নিয়ে যাবে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলল রাষ্ট্রসংঘ। ১০০ টিরও বেশি দেশ নাকচ করে দিয়েছে পাকিস্তানের এই প্রস্তাব।

পাকিস্তানের এই প্রস্তাবে রাষ্ট্রসঙ্ঘে উপস্থিত ছিল ৫১ টি দেশ। এই সমস্ত দেশ গুলির বেশিরভাগ দেশই ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গড়ে ওঠা দেশ। অবশ্য এদের মধ্যে বেশ কিছু আফ্রিকা মহাদেশের দেশও রয়েছে। যারা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এই প্রস্তাবে ভোট দেননি। এছাড়া আরো ৫২ টি দেশ এই প্রস্তাব বেশ করা কালীন উপস্থিত থাকা প্রয়োজনীয় মনে করেনি।

শিখ সম্প্রদায়ের করতাপুর সজীব করিডোর পাকিস্তান তুলে দিয়েছে ভিন্ন সম্প্রদায়ের হাতে। এই বিষয়ে ভারত রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিজের মত প্রকাশ করে বলেছে করতাপুর সজীব করিডোর এর সঙ্গে বহু শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের অনুভূতি জড়িয়ে রয়েছে যা পাকিস্তান নষ্ট করছে। একদিকে পাকিস্তান পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা বলে এবং অপর দিকে ঠিক তার উল্টো কাজ করে। ভারত এবং পাকিস্তানে উভয় দেশেই বহু হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। এভাবে তাদের ধর্মীয় সচেতনতা নিয়ে খেলা করা পাকিস্তানের একদমই উচিত নয়।

মনে করা হচ্ছে এটি পাকিস্তানের ধর্মের প্রতি একটি কেন্দ্রীভূত পদক্ষেপ। এমনও আশঙ্কা করা হচ্ছে পরে এই পদক্ষেপ ব্যবহৃত হতে পারে ভারতের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের তরফ থেকে বলা হচ্ছে এটি মুসলিম বিরোধী বিদ্বেষ কমানোর কূটনৈতিক পদ্ধতির অংশবিশেষ। ঘটনাটি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ প্রস্তাব পেশ করতে গিয়ে নিজে যেচে অপমানিত হয়েছে পাকিস্তান। প্রায় বেশিরভাগ দেশই এই প্রস্তাবে পাশে থাকেনি পাকিস্তানের।