অবশেষে প্রকাশিত অযোধ্যায় নির্মিত মসজিদ এবং হাসপাতালের ব্লু প্রিন্ট

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অবশেষে অযোধ্যার (Ayodhya) বাবরি মসজিদ এবং রাম মন্দির নিয়ে টানাপোড়েন শেষ হয়েছিল। রাম মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর নির্মিত হয়ে যাবার পরে এবার শুরু হতে চলেছে মসজিদ (mosque) নির্মাণের কাজ। সেই মসজিদ তৈরির আগে মসজিদের ব্লু প্রিন্ট চলে এল সামনে। মসজিদের পাশাপাশি প্রস্তাবিত হাসপাতালের নকশাও প্রকাশ করা হলো। Blueprint of Ayodhya’s ultra-modern mosque and multi-specialty hospital revealed.

Proposed Design of Mosque in Ayodhya
Blueprint of Ayodhya’s ultra-modern mosque and multi-specialty hospital revealed

অযোধ্যার বাবরি মসজিদ এবং রাম মন্দিরের দীর্ঘদিনের লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্ট কি রায় দেবে সেই নিয়ে এতদিন ধরে উত্তপ্ত ছিল সমস্ত রাজ্য রাজনীতি এবং আমজনতারা। অবশেষে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় বেরিয়েছে গত বছর। সেই রায়ে সুপ্রিম কোর্ট এক মাইল ফলক শুনানি জানিয়েছেন। অযোধ্যার নির্ধারিত জমি রাম মন্দির নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই রায় নিয়ে দেশবাসীর মধ্যে এবং বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে একটা ঠান্ডা যুদ্ধ যেন এখনও চলছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায় যে রাম মন্দিরের কোর্টেই যাবে তা অনেকেই আন্দাজ করতে পেরেছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট কেবলমাত্র অযোধ্যার সেই নির্ধারিত জমি রাম মন্দির নির্মাণে ব্যবহৃত হবে এ কথা বলেই ক্ষান্ত হননি। পাশাপাশি মসজিদের জন্যও আর এক মাইল ফলক শুনানি জানানো হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিলেন, ওই রাম মন্দিরের জন্য নির্ধারিত জমির কিছুটা দূরে বেশ কিছুটা জমি বরাদ্দ করা হয়েছে প্রস্তাবিত মসজিদের জন্য। রাম মন্দিরের হয়ে শুনানি শোনালেও সুপ্রিম কোর্ট বঞ্চিত করেন নি মসজিদ কর্তৃপক্ষকে। রাম মন্দির থেকে কিছুটা দূরত্বে অন্য একটি জায়গায় প্রায় ৫ একর জমির বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত ওই ৫ একর জমিতে তৈরি হবে প্রস্তাবিত মসজিদ। পাশাপাশি সেই জমিতেই ওই মসজিদের পাশে তৈরি হবে প্রস্তাবিত হাসপাতাল। ওই মসজিদ তৈরীর নকশার দায়িত্বে রয়েছে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড দ্বারা গঠিত ইন্দো – ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন অর্থাৎ আইআইসিএফ। এই আর্কিটেক্ট টিমটিই নির্ধারণ করছে সেই মসজিদের এবং ওই হাসপাতালে নকশা কি হবে। ইতিমধ্যেই পরিকল্পিত নকশার একটি ব্লু প্রিন্ট প্রস্তাবিত করেছেন সেই সংগঠন। যার ছবি প্রকাশ করা হয়েছে ইতিমধ্যেই।

নিয়মানুসারে ওই মসজিদের মাথায় গম্বুজ থাকলেও বিল্ডিং এর বাকি অংশ টি সম্পূর্ণরূপে মডার্ন। হাসপাতালের নকশা ও যেকোন হাইরাইজ বাড়ি কে হার মানাবে। মসজিদের ভেতরে থাকবে গ্রন্থাগার এবং রান্নাঘর। যেখানে প্রতিদিন দুঃস্থ মানুষদের জন্য রান্না হবে।