গাছে বেঁধে বেধড়ক মার হাতিকে, কেরালার এই নৃশংস ঘটনা মুহূর্তে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

In Kerala, The Elephant is tied to a tree and beaten video viral on social media
In Kerala, The Elephant is tied to a tree and beaten video viral on social media

সম্প্রতি কেরালায় (Kerala) পশুদের প্রতি নৃশংস অত্যাচারের সাক্ষী গোটা নেটজনতা। কেরালায় কিছুদিন আগে এক গর্ভবতী হাতিকে (Elephant) খাবারের মধ্যে বোমা মিশিয়ে উদ্দেশ্যমূলক ভাবেই মারা হয় । গর্ভবতী হাতিটি তার শরীরের ভেতরে থাকা বাচ্চাটির কষ্ট অনুভব করতে পেরেই সামনে থাকা জলাশয় এর মধ্যে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনো লাভ হয়নি। কোন দোষ ছাড়াই নিজের প্রাণ তাকে দিতে হয়েছিল। সেই করুণ দৃশ্য দেখে গোটা দেশের চোখে জল টলমল করেছিল। কিন্তু সব মানুষের ভেতরই মান এবং হুশ থাকে না। ফলস্বরূপ মানুষের মতো দেখতে মানেই সে মানুষ সেটা বোধহয় বলা উচিত নয়। কারণ এই মানুষ জাতি আবার একটি ১৯ বছরের হাতির উপরে নির্মম অত্যাচার চালায়। এরম এক ভিডিও যা সমুদ্র স্রোতের মতো মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় গোটা নেট দুনিয়ায়। In Kerala, The Elephant is tied to a tree and beaten video viral on social media.

ভিডিওটিতে দেখা যায় একটি ১৯ বছরের হাতিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে মারে মানুষ জাতিরই দুই মাহুত। হাতিটির (Elephant) অপরাধ বলতে সে মাহুতদের কথা শোনেনি। ঘটনাটি ঘটেছিল তামিলনাড়ুর থেক্কাপপট্টির শ্রীভল্লিপুথুরের অন্ডাল মন্দিরে। এই মন্দিরের একটি পূজা অনুষ্ঠান এর জন্যই হাতিটিকে আনা হয়। হাতিটির নাম জয়মালথা। মাত্র কুড়ি সেকেন্ডে একটি ভিডিওতে দেখা যায় গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে তার প্রতি অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে দুই মাহুত।

বিপরীত দিকে অসহায় হাতিটি (Elephant) সমানে কাতর চিৎকার করতে যাচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ভাইরাল হতেই পশুপ্রেমীদের মধ্যে এক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে সূত্রের খবর ওই দুই মাহুতকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন এবং বন সংরক্ষণ বিভাগ থেকে তাদের চাকরি এখানেই স্থগিত দেওয়া হয়।

সমাজের প্রধান জীব মানুষ হলেই যে প্রত্যেকটি মানুষ মানুষের মর্যাদা ও সম্মান প্রাপ্ত হবে তা ভেবে নেওয়া প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে ভুল। মানুষের ন্যায় দেখতে হলে মান এবং হুশ সবার থাকে না। তার প্রমাণ আমরা এই দুনিয়াতেই একবার নয় দুবার পেলাম। অবলা প্রাণী দের ওপর বুদ্ধি-বিবেচনা থাকা জীবই অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। তার প্রমাণ আমরাই সর্বক্ষণ। বর্তমানে নেট জগত আলোর গতিবেগ এর মতনই সমান দ্রুত। তাই প্রতিটা মুহূর্তের খবর আমাদের কাছে মুহূর্তের মধ্যেই চলে আসে। ফলস্বরূপ আবার এই মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী গোটা দেশ।