Farmer Protest: ২৯শে ষষ্ঠ দফার বৈঠক ফলপ্রসূ না হলে ট্রাক্টর মার্চের ডাক বিক্ষোভকারী কৃষি সংগঠনগুলির

সংশোধিত কৃষি বিল (Farmer bill) নিয়ে এখনও কোনরকম ফয়সালা হয়নি। এই নিয়ে পাঁচ দফা বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মুখোমুখি হলেন কৃষি সংগঠনগুলি। তবুও দু’পক্ষ সম্মতিতে আসতে পারলেন না। আগামী ২৯ তারিখ কৃষি সংগঠনগুলি কেন্দ্রের সঙ্গে ষষ্ঠবার বৈঠকের দাবি তোলেন। এই ষষ্ঠ বৈঠকে যদি কোনরকম সম্মতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আসা না যায় কিংবা কৃষক সংগঠনের দাবি দাওয়া সরকার যদি মেনে নিতে না পারেন তবে ৩০ তারিখ ট্রাক্টর মার্চ করবেন বলে জানিয়ে দিল কৃষি সংগঠনগুলি।

কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠকে দাবিগুলি কৃষক সংগঠন গুলি করেছিল তার মধ্যে ছিল বেশ কিছু আইনের বিরোধিতা। সেই সমস্ত আইন গুলি লাগু না করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পেশ করেছিল বিক্ষোভকারী কৃষি সংগঠনগুলি। সেই সমস্ত আইন এর মধ্যে রয়েছে ফারমার্স প্রডিউস ট্রেড এন্ড কমার্স অ্যাক্ট (Farmers Produce Trade and Commerce, Promotion and Facilitation Act), এছাড়াও বিক্ষোভকারী কৃষি সংগঠনগুলি তাদের ক্ষমতায়ন এবং সুরক্ষা , চুক্তি এবং প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত আইন The Farmers (Empowerment and Protection) Agreement on Price Assurance and Farm Service Act, 2020 এবং অপরিহার্য পণ্য আইন ( Essential Commodity Amendment Act, 2020) বাতিল করার দাবি জানায়।

কৃষকদের এই দাবি ষষ্ঠতম বৈঠকেও যদি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে মেনে নেওয়া না হয় তাহলে কৃষক সংগঠনগুলির জানিয়েছে তারা ৩০ তারিখ ট্রাক্টর নিয়ে মার্চ করবেন। এই ট্রাক্টর মার্চ চলবে কুণ্ডলী- মানেসর-‌ পালওয়াল হাইওয়েতে। নতুন বছরে রাজধানী এবং গোটা দেশের মানুষ যাতে তাদের সঙ্গে আনন্দে উঠেন এবং তাদের পাশে থাকেন সেই আর্জি জানানো হয়েছে বিক্ষোভকারী কৃষি সংগঠনগুলির তরফ থেকে।

অন্যদিকে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের অন্যতম মুখপাত্র রাকেশ টিকাইটের কাছে বিহার থেকে একটি হুমকি ফোন আসে যেখানে রাকেশ কে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। সেই ফোনের কল রেকর্ড ইতিমধ্যেই রাকেশ পুলিশের হাতে দিয়েছেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে নরেন্দ্র মোদী নতুন একটি কিষান রেলের উদ্বোধনের কথা বলেন। এটি ভারতের শততম কিষান রেল। মহারাষ্ট্রের সাঙ্গোলা থেকে পশ্চিমবঙ্গের শালিমার পর্যন্ত যে শততম কিষান রেল টি চলবে তাতে ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ, লঙ্কা, কমলালেবু, আঙুর, আপেল ইত্যাদি ফল এবং সবজি নিয়ে যাওয়া যাবে। যে সমস্ত সবজি বা ফল পচে যেতে পারে তা মাঝের স্টেশনে নামিয়ে নেওয়া যাবে। এই পরিবহনের অর্ধেক ভর্তুকি করবে কেন্দ্রীয় সরকার।