নেপালে ব‍্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা, মোদীর সমর্থন চাইলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের সাহায্যপ্রার্থী নেপাল (Nepal)। নিজের দেশের লোক তন্ত্রের সমস্যা মেটাতে ভারতের কাছে সাহায্য চেয়ে বসলেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল (Pushpa Kamal Dahal)। নেপালের উত্তপ্ত অবস্থার এখনো কোনো সমস্যার সমাধান হয়নি। নেপালের পরিবেশ এখনো ঠান্ডা হতে পারেনি। নেপালের এই অবস্থায় তাই এই সময়ে ভারতের (India) নির্বাক হয়ে থাকা মানায় না বলে মন্তব্য করেছেন পুষ্প কমল দহল।

নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মতে, যে সমস্ত দেশ নিজেদের লোক তন্ত্রের পথিকৃত্ বলে জাহির করে সেই সকল দেশ নেপালের এহেন অবস্থায় কেন চুপ করে রয়েছে? নেপালের এই অবস্থায় নেপালের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব সেই সমস্ত দেশ গুলির, চুপ করে না থেকে গর্জে ওঠা উচিত। পুষ্প কমল দহল যে সমস্ত দেশ গুলোর দিকে এই ইঙ্গিত করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভারত। ভারত ছাড়াও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এই তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, ইউরোপ। এই সকল দেশের নেপালের পাশে না থেকে চুপ করে থাকার ঘটনা সত্যিই আশ্চর্যজনক।

পুষ্প কমল দহল-এর মতে নেপালে লোকতন্ত্র হত্যা করা হচ্ছে। ভারতকে নেপালের লোকতন্ত্রকে সমর্থন করে পাশে থাকতে বলে, পুষ্প কমল দহল এর কথায়, ” যদি ভারত লোকতন্ত্রের সমর্থন করে, তাহলে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া আলোকতান্ত্রিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করা উচিত”। নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চীনের নামে আক্ষেপ করে বলেছেন, ” চিন ও আমাদের এই পরিস্থিতিতে সমর্থন করতে রাজি নয়। “

নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি (K P Sharma Oli) এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল -এর মধ্যে একটি বিভেদের সম্পর্ক বহুদিন থেকেই বিরাজমান। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেপালের এই অসময়ে ভারতের সাহায্য চেয়েছেন। নেপালের যে কোনো লোক তান্ত্রিক আন্দোলনে ভারতের নেপালের পাশে থাকার কথা ভারত কে বার বার মনে করিয়ে দিয়ে এই দিন আরো একবার ভারতের সাহায্যের আবেদন করেছেন পুষ্প কমল দহল।

যদিও বেশ কিছু দিন আগে নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যেকার সমস্যা মেটাতে চিন কে মধ্যস্থতা করতে হয়েছিল, কিন্তু এবারে চিন তা করতে অপারক। চিন থেকে নেপালে পাঠানো চীনের প্রতিনিধি মন্ডল এই সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বর্তমানে নেপালে যে রাজনৈতিক সমস্যা চলছে তা যে ভারতের হস্তক্ষেপ ছাড়া সম্ভব না তা ভালই আন্দাজ করতে পেরেছেন নেপালের প্রাক্তন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।