হামলাকারীর হাতে ভারতের পতাকা, US ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ে হামলা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

Capitol Building, Washington DC: ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ে যখন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং সিনেটের মিটিং চলছিল ঠিক সেই সময়ই কংগ্রেস ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ের বাইরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শয়ে শয়ে ট্রাম্প সমর্থক আমেরিকার পতাকা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি নিয়ে হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে ক্যাপিটাল বিল্ডিং এর দিকে ধেয়ে আসে। জানা যায় সেই সমস্ত হামলাকারীদের প্রায় প্রত্যেকের কাছেই ছিল আমেরিকান পতাকা। কিন্তু তারই মাঝখানে দেখা যায় ভারতীয় পতাকা হাতে এক হামলাকারী এগিয়ে আসছে ক্যাপিটাল বিল্ডিং এর দিকে। US Capital building attacker holds Indian flag.

পরিস্থিতি সামলাতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। তাতেও পরিস্থিতি নাগালের মধ্যে না এলে, অবশেষে গুলি চালাতে বাধ্য হয় আমেরিকান পুলিশ বাহিনী। তবে এতকিছুর মধ্যে নজর এড়িয়ে গিয়েছিল যে ঘটনাটি তা প্রকাশ পেল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই দিনের এই ঘটনার একটি ভিডিওয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যায় ভিড়ের মধ্যে শয়ে শয়ে মানুষ যখন আমেরিকান পতাকা নিয়ে ক্যাপিটাল বিল্ডিং হামলার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসছে সেই ভিড়ের মধ্যে থেকে উঁকি মারতে দেখা যায় ভারতীয় পতাকা কে।

এ ঘটনায় ভারতীয় পতাকার জড়িয়ে থাকার কারণে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন একাধিক প্রবাসী ভারতীয়। এই ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই সমস্ত প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে একজন টুইটারে উল্লেখ করেছেন, ‘আমার দেশের পতাকা কে যে বা যারা অপমান করেছে, তাদের শাস্তি দেওয়া হোক।’ মনে করা হচ্ছে এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের নাম খারাপ হতে পারে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্কও খারাপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

যদিও এই ঘটনার পরে ঘটনার নিন্দা করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। ঘটনার প্রতি নিন্দা জনক ধিক্কার জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে বলেছেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হওয়া উচিত। যে হিংসাত্মক ঘটনা ওয়াশিংটন ডিসি তে ওই দিন ঘটেছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গণতন্ত্র এই ধরনের ঘটনাকে সমর্থন করে না। পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, এই ঘটনা অত্যন্ত ‘হৃদয়বিদারক এবং ঘৃণ্য’।