VIVO, IPL ছেড়ে যাওয়া নেহাত ছোট ব্যাপার, কোন বড় আর্থিক সমস্যা নয়, আশ্বাস সৌরভের

লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চিনা আগ্রাসনের জেরে, ভারত ও চীনা সেনার মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাঁধে, এরপর থেকেই দু’দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। সারা ভারতজুড়ে চীনা পণ্যে বয়কটের ডাক শুরু হয়। এরপর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেট সংস্থা বিসিসিআই VIVO-এর সঙ্গে চুক্তি সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতে অন্যতম জনপ্রিয় চীনা মোবাইল সংস্থা ভিভোর সঙ্গে IPL 2020 -এর টাইটেল স্পনসর্শিপ সাসপেন্ড হওয়া নেহাতই ছোট ঘটনা, এটা খুব একটা বড় অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, বলেন বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী (Sourav Ganguly)। গত বৃহস্পতিবার VIVO এবং BCCI আইপিএল-এর টাইটেল স্পনসর্শিপ চুক্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

আইপিএলের টাইটেল স্পনসর্শিপ থেকে উপার্জন হয়, বিসিসিআই-এর উপার্জনের একটি বড় অংশ। এর অর্ধেকের সমান উপার্জিত হয় আইপিএলের আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে। বিসিসিআইয়ের সঙ্গে 2018 থেকে 2019 পর্যন্ত পাঁচ বছরের টাইটেল স্পন্সর চুক্তি হয়। ভিভো প্রতিবছর 440 কোটি টাকা অর্থাৎ পাঁচ বছরে 2 হাজার 2190 কোটি টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়। এই বিপুল পরিমাণ টাকার চুক্তি বাতিল হওয়ার পরও বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী এক ওয়েবিনারে বলেছেন, এই টাকা না আসায় বিসিসিআই আর্থিক সংকটে পড়বে না, নেহাতই এটা একটা ছোট ঘটনা মাত্র।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, বিসিসিআই অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সংগঠন ক্রিকেট, খেলোয়ার এবং প্রশাসকেরা সকলে মিলে এটাকে মজবুত করে তুলেছে। আইপিএলের টাইটেল স্পনসর্শিপ সরে যাওয়ায় কোনো প্রভাব পড়বে না। এরকম পরিস্থিতির জন্য সংগঠনের কাছে সবসময় প্ল্যান-বি প্রস্তুত থাকে। সমস্ত বড় সংস্থাই এরকম প্রস্ততি নিয়ে থাকে। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের কথায়, এটা তখনই সম্ভব, যখন দীর্ঘদিন ধরে পেশাগতভাবে আপনি কাজ করছেন। রাতারাতি বড় কিছু হয় না, আবার রাতারাতি চলেও যায় না। দীর্ঘ প্রস্তুতি থাকলে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া যায়, আবার সাফল্যের মুখোমুখি হওয়া যায়।